Breaking News

অসচ্ছল নারীদের পাশে সংগীতশিল্পী সালমা

জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী মৌসুমী আক্তার সালমা ঈদ ও লকডাউনের বিরতি কাটিয়ে আবারও গানে নিয়মিত হয়েছেন। নিয়মিত নতুন মৌলিক গানে কণ্ঠ দেওয়ার পাশাপাশি টিভিতে গানের অনুষ্ঠানেও পারফর্ম করছেন।

এ ছাড়া মানবিক কর্মকাণ্ডেও তার সরব উপস্থিতি আছে। করোনাকালে অসহায় বিপন্ন মানুষের খাবারসহ নানা ধরনের সহায়তা কার্যক্রম পরিচালিত করেছেন।

সেই ধারাবাহিকতায় এবার অসহায় ও অসচ্ছল নারীদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলার জন্য সহযোগিতার হাত প্রসারিত করছেন এ সংগীতশিল্পী।

মূলত কর্মমুখী কাজের মাধ্যমে নারীদের জীবন মানোন্নয়নে তিনি এ কার্যক্রমটি পরিচালনা করবেন। এ প্রসঙ্গে সালমা বলেন, ‘আল্লাহ আমাকে যতটুকুই সামর্থ্য দিয়েছেন ততটুকুই নিয়ে আমি অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করি।

আগের কাজের সঙ্গে এ কাজের কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। শিগ্গির এ কাজটি শুরু করার পরিকল্পনা করছি। সব ঠিক থাকলে চলতি বছরেই এটি শুরু করার ইচ্ছা আছে।

সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন, আমি যেন সুস্থভাবে কাজগুলো পরিচালিত করতে পারি।’ এদিকে নতুন এক ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা আছে এ সংগীতশিল্পীর।

দীর্ঘ সময় ঘরবন্দি থাকার পর চলতি বছরের শুরু থেকেই কাজে নিয়মিত হয়েছেন এ সময়ের সংগীতশিল্পী ঝিলিক। করোনাকালীন দুর্যোগ মাথায় নিয়েই গত আট মাস কাজ করেছেন।

বর্তমানে তিনি কয়েকটি নতুন গানের কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। এর মধ্যে রয়েছে মিল্টন খন্দকারের সুরে ও বায়েজীদ খুরশীদ রিয়াজের লেখা ‘ভালোবাসার বদলে’,

জামাল হোসেনের লেখা ও খালেদ মুন্নার সুরে ‘খুলে রেখেছি আমি’, রাজিয়া সুলতানার লেখা ও বিনোদের সুরে ‘জানি আমাকে কেউ একা করে’,

প্লাবন কোরেশীর লেখা ও সুরে একটি সিনেমার গান, সোহেলের লেখা ও মানাম আহমেদের সুরে আদমশুমারির গান। শিগ্গির এগুলো বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশ পাবে জানিয়েছেন এ সংগীতশিল্পী।

এসব গানের ব্যস্ততা প্রসঙ্গে ঝিলিক বলেন, ‘করোনার ভয় মাথায় নিয়েই কাজ করছি। এ ছাড়া কিছু করার নেই। কাজ তো করতে হবে। নতুন যেসব গানে কণ্ঠ দিয়েছি সবক’টিই আমার পছন্দের। আমার বিশ্বাস শ্রোতাদের ভালো লাগবে।’ সর্বশেষ ইউসুফিয়ানা প্রজেক্টে ওয়াই বিটসে তার কণ্ঠের একটি গান প্রকাশ হয়েছে। ‘আমার মনে’ শিরোনামে এ গানে তার সঙ্গে কণ্ঠ দিয়েছেন ইউসুফ আহমেদ খান। এটি লিখেছেন শাখাওয়াত হোসেন মারুফ। সুর ও সংগীত পরিচালনা করেছেন ইউসুফ আহমেদ খান। গানটি বেশ প্রসংশিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঝিলিক।

প্রতিটি সিনেমায় আলাদা ডিজাইনের পোশাক পরেন চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়া। চরিত্র অনুযায়ী পোশাকগুলো নিজেই কেনেন এ তারকা। শুটিং শেষে পোশাকগুলো খুব বেশি ব্যবহার হয় না। তাই ফারিয়ার অব্যবহৃত পোশাকগুলো সুবিধাবঞ্চিতদের দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ব্যতিক্রমী এ উদ্যোগটি নিয়েছে ‘সুইচ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন’। ঈদুল আজহায় এ সংগঠনের মাধ্যমে রাজধানীর সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে পোশাকগুলো বিতরণ করা হবে।

এরই মধ্যে ফারিয়ার কাছ থেকে দুই শতাধিক পোশাক সংগ্রহ করা হয়েছে। এমনটাই জানান সংগঠনটির প্রধান সমন্বয়ক মোস্তাফিজুর রহমান।

সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘১০ টাকায় কাপড়’ নামের বিশেষ প্রকল্পে পোশাকগুলো বস্তির মানুষের মাঝে বিতরণ করা হবে। তারকারা গরিব মানুষের পাশে দাঁড়ালে সাধারণরা আরও বেশি উৎসাহিত হয়। এ কারণে আমরা জনপ্রিয় এই শিল্পীকে বিষয়টি জানিয়েছিলাম। তিনি আমাদের আহ্বানে সাড়া দিয়েছেন।বিশেষ এ উদ্যোগটি প্রসঙ্গে নুসরাত ফারিয়া বলেন, ‘গরীবদের জন্য এই প্রকল্পে এ ধরনের পোশাক সংগ্রহ করা হয়। দিতে পেরে সত্যিই আমার ভালো লাগছে।’

About admin

Check Also

সৃজিত খুব ছেলেমানুষ, আয়রার থেকে ওর বয়স খুব বেশি না: মিথিলা

কলকাতার জনপ্রিয় পরিচালক সৃজিত মুখার্জি আজ (বৃহস্পতিবার) ৪৪ বছরে পা রাখলেন। নিজের জন্মদিনেও শুটিং নিয়ে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *